নামঃ আব্দুল শহীদ কাজল
জন্ম: ১৯৬৭ সালের ১৭ই মার্চ- সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৩ নং ঘিলাছড়া ইউনিয়নে।
যেভাবে রাজনৈতিক জীবন শুরু :
তিনি তার নানা শেখ খলিলুর রহমান খলিলের সাথে (বীর মুক্তিযোদ্ধা) ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নাম্বার বাড়িতে ছোটবেলায় দেখা করেন। যখন নানার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আলাপচারিতা হয় তখন চোখ পড়ে ছোট আব্দুল শহীদ কাজলের দিকে। বঙ্গবন্ধু বললেন ছেলেটা কে? তখন তার নানা বললেন আমার নাতি। বঙ্গবন্ধু কাজলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেন ওকি স্কুলে পড়ে নানা বলে না বাবার চাকুরির টাকায় সংসার চলে না শুনে বঙ্গবন্ধু কিছু টাকা নানার হাতে দিয়ে বললেন ওকে লেখাপড়া করাবেন, ওরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। কাজলের বয়স তখন ৭ বছর। তারপর ১৯৭৫ সালের সেই কালো রাতে ঘাতকের হাতে শহীদ হন বঙ্গবন্ধু স্ব-পরিবার। কাজল অনেক চিন্তিত হয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধু মারা গেলেন। ১৯৭৮ সালে স্কুলে ভর্তি – ১৯৮৯ সাথে এস এস সি তখনকার মেট্রিক পরিক্ষার ফি দেওয়ার মত ক্ষমতা ছিল না ৷ তখন তিনি মানুষের খেতখামারে কাজ করে পরিক্ষার ফি যোগান এবং ফাকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত ছিলেন। চাচা মহিব উদ্দিনের হাত ধরে। সেই বছর তার বাবা মারা মারা যান। ১৯৯০ সালে ঢাকায় চলে আসেন। এসে চাকুরী করেন। এভাবে ১৯৯৬ সালের মে মাস পর্যন্ত চলে। ২০০১ সালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আইয়ুব চৌধুরী ও তছলিম ভাই সাথে পরিছয় হয় তাদের সাথে মিছিল মিটিংএ যোগ দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে থাকেন ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হামলার সময় বাম পায়ে ও ডান চোখে আঘাত পান। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা যুব প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ২০১৯ সালে সভাপতি মনোনীত হন। সংগঠন পরিচালনায় নিজের অর্থ অনেক ব্যয় করেছেন। এবং ২০২০ সালে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত নিজের প্রচেষ্টার মাধ্যমে মানুষের পাশে দাড়াতে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন এবং ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে নিয়মিত অর্থ দিয়ে আসছেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করার পর থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে এক সৈনিক হয়ে উঠেছেন তিনি। বিভিন্ন স্কুল সহ গরিব দুঃখি অনেক রুগিকে এ পর্যন্ত অনেক লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করেছেন। এখন তিনি সিলেট ৩ আসন থেকে উপ-নির্বাচনে অংশ নিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। এভাবেই অনেক কষ্ট পরিশ্রম আর সততার রাজনীতির মাধ্যমে গড়ে উঠুক এক একজন আব্দুল শহীদ কাজল। বর্তমানে তিনি উনার এলাকায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে একজন গৃহীন কে একটি ঘর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে উপহার দেন।
জালালাবাদ /জুন/৫৭৮৯৪