বন্যার পানি কমলেও, চারদিকে বাড়ছে ত্রাণের জন্য হাহাকার। স্মরণকালের বন্যায় দেশের অন্য অঞ্চলের মতো মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ৩নং নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর, পকুয়া, চরিয়া, নয়াপাড়া,কবিরা কয়েক শ বেশি মানুষ বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে।
ভেসে গেছে অনেক ঘরবাড়ি, খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে অনেক পরিবার। বানভাসি মানুষের আহাজারির কথা ভেবে, বসে নেই দৌলতপুর, উত্তরপকুয়া, চরিয়া,দৌলতপুর,পূর্বগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে, সোমবার দুপুরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দৌলতপুর, পকুয়া, চরিয়া, নয়াপাড়া,কবিরা গ্রামগুলোতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্ষুধার্তদের হাতে তুলে দেন ত্রাণের প্যাকেট তুলেদেন এতে উপস্থিত ছিলেন,সাবেক ইউ পি সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রফিক উদ্দিন (পংকি) ওয়ার্ড আওয়ামীগ সভাপতি
ফজলুর রহমান,লুৎফুর রহমান,চরিয়া গ্রামের প্রবীন মুরব্বী আব্দুল ওয়াদুদ (দুদু) পুর্তুগাল প্রবাসী
আব্দুল হক,ফারুক আহমদ,
জিল্লুর রহমান,মোঃ ময়নুল ইসলাম,আবুল হোসেন,জিলাল উদ্দিন, সমছুল আহমদ, জামিল আহমদ,কামিল আহমদ
কবিরা গ্রামের বানভাসি হরিছ মিয়া বলেন, হঠাৎ বন্যার পানি আসার কারণে আজ আমাদের গ্রাম ডুবন্ত অবস্থায় বেকার আমরা কাজ নাই বড় কস্টে দিন যাপন করছি। আমাদের কে দৌলতপুর পূর্ব গোষ্টীর যুব সমাজ যে উপহার দিয়েছেন আমরা খুশি ও তাদের কে ধন্যবাদ জানাই।
প্রসঙ্গত বানভাসি ২০০শত নিম্ম ও মধ্য আয়ের জাতি বর্ণ ধর্ম নির্বিশেষে উক্ত ফুড প্যাক নিত্য প্রয়োজনীয় খাবারসহ বিতরণ করা হয়।
পূর্ব গোষ্টীর যুবক ময়নুল ইসলাম বলেন, এবারের বন্যায় নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর, পকুয়া, চরিয়া, নয়াপাড়া,কবিরার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে কতদিন লাগবে মহান আল্লাহ্ জানেন। গত ক দিন ধরে সরকারি বেসরকারী সংস্থার পক্ষ থেকে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে যাহা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল আমরা দৌলতপুর, উত্তরপকুয়া, চরিয়া,দৌলতপুর,পূর্বগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে যুব সমাজ সুবিধা বঞ্চিত মানুষের হাতে খাবার তুলেদিতে পেরে ধন্য মনে করছি। বিশেষ করে এলাকা ঘুরে দুর্গত মানুষদের অবস্থা দেখে কস্ট লাগছে।
এই ভেবে আমি আমাদের দায়িত্ববোধ থেকে দৌলতপুর, উত্তরপকুয়া, চরিয়া,দৌলতপুর,পূর্বগোষ্ঠীর যুব সমাজ ফুড প্যাক নিয়ে ছুটে গেলাম ক্ষুধার্তদের বাড়ি বাড়ি। নিজ হাতে খাবার প্যাকেট গোপনে তাদের হাতে তুলে দিলাম। এর চেয়ে বড় শান্তি আর কী হতে পারে?