গত (৪রা)চৌঠা অক্টোবর রবিবার ছাতকের কাটাশালা গ্রামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্য হয়।তেসরা অক্টোরব গৃহবধূ খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে খবর চাওর হয়।গৃহবধূর নাজমিনে বাবার বাড়ি লাকেশ্বর পশ্চিম পাড়া। বেশ কিছু দিন থেক নাজমিন ও স্বামী সুমনের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল।এ নিয়ে কয়েক বার রফাদফা-আপোস মীমাংসা হয়েছে।জানা যায়, গত ২রা অক্টোবর শ্বশুর সমর আলী আপোস-মীমাংসার মাধ্যমে পুত্রবধূকে বাড়ি নিয়ে যান।৩ রা অক্টোবর মেয়ের বাবাবাড়ি খবর আসে নাজমিনকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।অবশেষ ৪ রা অক্টোবর স্বামী সুমনের চাচাত ভাইয়ের পুকুরে গৃহবধূর লাশ পাওয়া।সুমনের সাথে নাজমিনেরর বিয়ে হয় ২০১৬ ই.।নাজমিন-সুমন ৫ বছরের দাম্পত্যজীবন দাম্পত্যকলহ রুপ নেয়। তাদের দু’টি সন্তান ছিল একটি মারা যায় অনেক আগে আর এখন ৮ মাসের ফুটফুটে এক বাচ্চা রয়েছে।এ নিয়ে মেয়ের পিতা ছোরাব আলী ছাতক থানার অপমৃত্যুর সাধারণ ডায়েরি করেন।মেয়ের মৃত্যুর পর পুলিশ গৃহবধূর স্বামীকে গ্রেফতার করে এবং এক দিনের মাথায় ছেড়ে দেয়।
বোন হত্যার বিচার চেয়ে লাকেশ্বর সরকারি প্রাথমিকক বিদ্যালয়ের দপ্তরি প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ চেয়ে আকুল আবেদন করেন।তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:-
আসসালামু আলাইকুম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে আমার আকুল আবেদন আমি জানি আমার আবেদনটি গ্রহণ করিবেন আমি লাকেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন দপ্তরী কাম পহরী মোঃ রুপন আলী আমার একটি ছোট বোন নাজমিন বেগমকে তার স্বামী কাটা শালা গ্রামের সমর আলী ছেলে সুমন মিয়া আমার বোনকে নির্মমভাবে আঘাত করে হত্যা করে 310 2021 তারিখে সকাল 10 ঘটিকায় সময় জানায় আপনার বোনকে পাওয়া যাচ্ছে না তারপর আমরা অনেক খুঁজি খুজার পর কোন সন্ধান পাইনি ওর বাবা বলে আমার ছেলের বউয়ের লাশ ওই ওই পুকুরে মিলবে তারপর আমরা জগন পুকুরে খোঁজ নেব তখন তারা বলেন আমরা খুঁজে দেখেছি এখানে মিলছে না তখন আমরা চলে আসি পরের দিন সকাল 6 টা 30 মিনিটের সময় আমাদেরকে ফোন দিয়ে জানায় যে ওই পুকুরে লাশ ভেসে উঠেছে তখন আমরা চলে যাই গিয়ে দেখি পুকুরে লাশ ভেসে আছে তারপর পুলিশ এসে লাশ উঠায় লাশের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় যখম দেখা যায় মাথায় কালো দাগ দেখা যায় এখন আমি আমার বোনের উচিত বিচার চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে আমার আকুল আবেদন আমার বোনের হত্যার বিচার চাই বিনীত রুপন আলী দপ্তরি কাম প্রহরী লাকেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাতক সুনামগঞ্জ আপনারা দয়া করে পুষ্ঠটি শিয়ার করবেন