১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার প্রতিকূল সময়ে মা ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন জয়। পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতে চলে আসেন। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সজীব ওয়াজেদ জয় সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়া করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আর্লিংটনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর ব্যাচেলর অব সায়েন্স এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্ট থেকে লোকপ্রশাসনের ওপর মাস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন।জয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০০৭ সালে ডাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মাধ্যমে বিশ্বের ২৫০ জন তরুণ বিশ্ব নেতৃত্বের মধ্যে একজন নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে স্লোগান যুক্ত হয়, তার নেপথ্যে ছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। পরবর্তী সময়ে নেপথ্যে থেকে পুরো বাংলাদেশে তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।
সজীব ওয়াজেদ জয় দেশে একটি শক্তিশালী আইটি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলা, ই-গভর্ন্যান্স প্রবর্তন এবং বৃহত্ পরিসরে আইটি শিক্ষা চালুর মাধ্যমে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশদ ধারণাপত্র ও কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধান কারিগর হিসেবে কাজ করছেন। আওয়ামী লীগের ‘ভিশন ২০২১’ ইশতেহার প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন বঙ্গবন্ধুর এই জ্যেষ্ঠ দৌহিত্র।
জালালাবাদ -৬৮৯৯

