বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে সিলেট অঞ্চলে। জনসাধারণের মাঝে গণ সচেতনতা না আসলে সিলেটের অবস্থা মারাত্মক খারাপ হবে বলে জানিয়েছেন করোনা বিশেষজ্ঞরা।
দেশে মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়াতে গত ১ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ছিল কঠোর লকডাউন। পরবর্তীতে পবিত্র ঈদূল আযহা উপলক্ষে ২২ তারিখ মধ্যরাত পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করে ছিল সরকার। আবার ২৩ জুলাই শুক্রবার থেকে ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার।
এই সময়ে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না, এটাই হলো বিধিনিষেধের প্রধান শর্ত। তবে লকডাউনের শুরুর দিন শুক্রবার ও দ্বিতীয় দিন শনিবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকেই সিলেট অঞ্চলের মহাসড়ক ও নগরীর অলিগলির রাস্তায় এবং গ্রামগঞ্জের হাট-বাজারে প্রতিদিন দেখা যায় ব্যাপক জনসমাগম।
সাধারণ মানুষের চলাফেরায় বুঝা যায় করোনা সম্ভবত চলে গিয়েছে গ্রামগঞ্জের হাট-বাজারে যাতায়াত কারিরা মাস্ক সাথে করে নিলেও শুধুমাত্র প্রশাসন দেখলে ভয়ে মাস্ক পরিধান করেন। সিলেটের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব ধরণের দোকানপাঠ খোলা রয়েছে। যে যার মত চলা ফেরা করছেন। গুটি কয়েক মানুষের মুখে মাস্ক পরা থাকলেও বেশির ভাগেই মাস্ক ছাড়াই চলাচল করছেন। তবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর গাড়ির শব্দ বা দেখলে দৌড়ে পালাতে থাকেন অনেকেই। বিশেষ করে নগরীর কাঁচাবাজরগুলোতে লেগে থাকে মানুষের জটলা।