বিশেষ প্রতিনিধি : সিলেট সরকারি আলী মাদ্রাসা সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মরহুম আব্দুল গফুর চৌধুরী সন্তান সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সিলেট জেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি গাজীপুর খোলাফায়ে রাশেদীন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার নৌকার মনোনীত বিজয়ী একমাত্র ঘিলাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের হাজী লেইছ চৌধুরী।
উপজেলার ঘিলাছড়া ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের সন্তান হাজী লেইছ চৌধুরী। সিলেট শহরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকলেও আগে ফেঞ্চুগঞ্জের রাজনীতিতে এমন একটা জড়িত ছিলেন না যুবক বয়সে। কিন্তু দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে নিজ জন্মস্থানে এলাকার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড জড়িত হওয়ার পর থেকে আলোচনায় আসেন হাজী লেইছ চৌধুরী। গাজীপুর নিজ গ্রামে ২০০১ সালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করেন খোলাফায়ে রাশেদীন দাখিল মাদ্রাসা। এর আগেও এলাকার মসজিদ ও মাদ্রাসা অসহায় দরিদ্র মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করতেন। ১৯৯৬ সাল থেকে ফেঞ্চুগঞ্জের রাজনীতি সরাসরি জড়িত হন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় করে আলোচনার চলে আসে হাজী লেইছ চৌধুরী। ফেঞ্চুগঞ্জের সব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে করে তুলেন সখ্যতা। রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সরব উপস্থিতিতে আলোচনা সৃষ্টি হয় চারিদিকে। বিশেষ করে ওয়াজ মাহফিল মসজিদ মাদ্রাসা ও দল-মত নির্বিশেষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতেন।
হাজী লেইছ চৌধুরী পরিবার সদস্য আমেরিকা লন্ডন থাকায় এবং নিজে ব্যবসায়ী হওয়া গ্রামে আসলেই সাহায্য হাত বাড়িয়ে দিতেন গরিব অসহায় দরিদ্র মানুষের দের।
যদিও সিলেটি ৩ আসনের বাকশাল থেকে সংসদ সদস্যপদ সংসদ পদে প্রার্থী হয়েছিলেন। পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর হাত ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
স্থানীয় এলাকার মানুষের দাবি সিদ্ধান্ত নেন ঘিলাছড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। কিন্তু ঘিলাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ৪০ বছর বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আপ্তাব আলী। প্রথমবারের মতো নির্বাচন প্রবীণ ও প্রভাবশালী চেয়ারম্যান আপ্তাব আলী কাছে ২০০ ভোটে পরাজিত হন। এরপর থেকে ঘিলাছড়া গ্রাম থেকে গ্রামে ঘুরে বেরিয়েছেন মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করে মানুষের মন জয় করে দ্বিতীয়বার নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা মনোনয়নে নিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ ৫ ইউনিয়ন মধ্যে ৪০০০ ভোটে বেশি পেয়ে বিজয় হন হাজী লেইছ চৌধুরী চেয়ারম্যান হিসাবে । এর পর থেকে স্থানীয় এমপি মরহুম মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী সাথে সম্পর্কে রেখে উপজেলা মধ্যে সবচেয়ে বেশি এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন ঘিলাছড়া
।
জেলার রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় এবং প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে জেলা পরিষদ থেকে এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তর থেকে কাজে এনে নিজ এলাকা করেছেন উন্নয়ন।
ইতিমধ্যে এলাকায় একটি মাদ্রাসা ও দুটি মসজিদ নির্মাণ কাজ চলছে পরিবারের পক্ষ থেকে।
শান্ত সৃষ্ট ও ধর্মপরায়ণ মানুষ হিসাবে উপজেলা জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের বিপদাপদে ছুটে যান হাজী লেইছ চৌধুরী।
এলাকার উন্নয়ন মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকা সবচেয়ে জনপ্রিয় চেয়ারম্যান হাজী লেইছ চৌধুরী।
জালালাবাদ / জুয়েল /৫৭৮৮