লাঙ্গলের সূচনা করেছিলেন সিলেট ৩ আসনের উপ-নির্বাচনে বাবুল। আর বাবুলের হাত থেকে চমক হিসেবে নিজের কাধে সাধ্যের ভিতরে নিয়ে এসেছিলেন আতিক। সেই আতিক এখন এক চমকের নাম। সেই চমক কি ভোটের মাঠে ফলাফল হিসেবে আসতে যাচ্ছে।
প্রেক্ষাপট – জাতীয় পার্টি বর্তমান জাতীয় সংসদে বিরোধী দল। যদি আগামী নির্বাচনে বিএনপি না আসে তবে জাতীয় পার্টির উপর ভর করে দুইবছর পর নির্বাচন দিতে হবে হাসিনা সরকারকে। অন্যদিকে সরকারের এক সময় পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া রাজনৈতিক মাঠের অতিথি পাখি হেফাজত এখন ভেঙে টুকরো টুকরো অবস্থায়৷ সে কারণে রাজনীতির এপিট ওপিঠ বিবেচনা করলে জাতীয় পার্টির দলীয় অবস্থান জানান দিতে এই উপ-নির্বাচনে লাঙ্গলকে অন্তত দুইটি আসন পুনরুদ্ধার করে প্রমাণ করতে হবে।
সিলেট ৩ আসন এ ক্ষেত্রে লাঙ্গলের জন্য উর্বর ভূমি। কারণ এখানে তাদের দলীয় প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক পূর্বেও নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং মোটামুটি তার একটা ভোট ব্যাংক এই আসনে আছে।
এজন্য জাতীয় পার্টি সিলেট ৩ আসনে এবার মাঠে নেমেছে সরগরম হয়ে। জয় ছিনিয়ে নিতে মরিয়া আতিক। আর তাকে আতিত্ম দিবেন আরও দুই হেভিওয়েট শফি ও হাবিব।
এখন ভোটের মাঠের হিসেব নিকেশ বলে দেবে কে হচ্ছেন একযুগ পর সিলেট ৩ আসনের নতুন এমপি।
এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, এবার আর ভূল পথে পা বাড়াতে চায় না জাতীয় পার্টি। আগামীতে জি এম কাদেরের নেতৃত্বে ক্ষমতায় যাওয়ায় বিভোর জাতীয় পার্টি।