সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মাওলানা বদরুদ্দোজা নির্বাচন পূর্ববর্তী ইশতেহারে বলেছিলেন একটাই শব্দ ‘ইনসাফ ভিত্তিক বন্টন ‘। তার প্রতিফলন পাচ্ছে ইউনিয়নবাসী। বিগত ২০১৯-২২ পর্যন্ত করোনাকালীন সময় তিনি যে অবদান রেখেছেন তা উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সকল বরাদ্দ উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে একজন ট্যাগ কর্মকর্তা রেখে নিজে দাড়িয়ে থেকে বন্টন করতেন। ইউপি সদস্যদের নিয়ে করেছেন বিভিন্ন টিম ওয়ার্ক। যার সুফল মেলে গত করোনায় ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ইউনিয়নে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কম ছিল। বিভিন্ন সময় তিনি সংবাদ মাধ্যমে বলেছিলেন আমার ইউনিয়নের মধ্যে কোন বড় প্রতিষ্ঠান না থাকায় আমি রাজস্ব কম পাই। কিন্তু আর্থিক সংকট দেখা দিলে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে চেষ্টা করি জনগণের সেবা নিশ্চিত করার। এবার জুন – জুলাই মাসের স্বরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সবচেয়ে বেশি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ১ নং সদর ইউনিয়ন। কিন্তু বন্যা আসার পর থেকেই মাঠে তিনি সরব ভূমিকা রেখেছেন। তিনি দৈনিক যুগের কন্ঠস্বর-কে জানান, আমি এ পর্যন্ত ৯০০ পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি করে জি আর চাল বন্টন করেছি এবং আরও ২৫০ পরিবারের মধ্যে শুকনা খাবার বিতরণ করেছি৷ তবে এই অনুদান আমার ইউনিয়নের জন্য তখন গুরুত্বপূর্ণ নয়। কেননা এখানে ঘনবসতি ও জনসংখ্যা বেশি। তিনি আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন,
আমি ব্যক্তিগত তহবিল থেকেও চেষ্টা করেছি কিন্তু তা উল্লেখ করতে চাইনা৷ উল্লেখ্য চেয়ারম্যান কাজী মাওলানা বদরুদ্দোজা শুধু দুর্যোগের মুহূর্তে নয় এর মধ্যে তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন কে মডেল ইউনিয়ন রূপান্তরিত করতে ইতমধ্যে সিলেট ৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবের তত্বাবধানে বেশ কিছু রাস্তা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি উচ্চ বিদ্যালয় নির্মানে ভূমিকা রেখেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চেয়ারম্যান বদরুদ্দোজা সব সময় ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট এবং অন্যান্য তথ্য তিনি তার নিজেস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উল্লেখ করে থাকেন৷ ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৫ টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন থেকে কাজী মাওলানা বদরুদ্দোজা (আনারস) প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৫৬৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন।