সিলেট অঞ্চলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে নগরীর শাহী ঈদগাহসহ নগরের সকল ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে না।
গতকাল রোববার (১৮ জুলাই ২০২১) সিলেটের নগর ভবনে ঐতিহ্যবাহি শাহী ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সাথে এক জরুরী বৈঠকের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
তবে, সিলেট মহানগরের সকল মসজিদে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে একাধিক ঈদের জামাত অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধরী বলেন, ত্যাগের মহিমায় এই ঈদে আমরা অনেকেই পশু কোরবানি দেবো। তবে, কোরবানির মাধ্যমে পরিবেশ যাতে বিপর্যস্ত না হয় সেদিকে সকলকে লক্ষ্য রাখতে হবে। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি দিন এবং রাস্তাঘাটে যাতে কোরবানির ময়লা আবর্জনা বা পশুর চামড়া ফেলে রাখবেন না।
সিসিক মেয়র বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া আপনার বাসা-বাড়িতেই রাখুন। প্রয়োজনে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সংগ্রহ করবে। কোন অবস্থাতেই রাস্তায়, ড্রেনে, খাল বা ছড়ায় ফেলে দেবেন না।
ঈদের জামাত ও কোরবানীর আনুষ্ঠানিকতায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ জানান সিসিক মেয়র।
এদিকে সারাদেশে ঈদগাহ সমূহে খোলা মাঠে ঈদের জামাত আদায় করার অনুমতি থাকলেও সিলেটের শাহী ঈদগাহে জামাত না হওয়াতে হবিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করা হচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন যে মসজিদে জামাত আদায় করা ঝুকিপূর্ণ না খোলা মাঠে জামাত আদায় করা ঝুকিপূর্ণ সেটা জানতে চান। সিলেট সিটিকর্পোরেশন ও শাহী ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির এ সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী বলে ও মন্তব্য করেছেন।