ফেঞ্চুগঞ্জ শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিঃ এর বিক্রয় বিভাগের প্রধান শাখা ব্যবস্থাপক এস আর সাইদ খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ও চাদাবাজির অভিযোগ করেছেন ফেঞ্চুগঞ্জ ট্রাক – পিকআপ-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতি।
মালিক সমিতির সাভাপতি রেদওয়ানুল করিম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অভিযোগপত্রে বলা হয়- আমরা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি টি,ও লাইসেন্স নং ১৫৬/৫ এর অন্তর্ভুক্ত সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ট্রাক মালিক সমিতি। বিগত ২-৩ বছর যাবত পরিবহন ব্যবসায় দুর্নীতির কারণে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।
আমরা এফ এফ সি এল এর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের বিভিন্ন বাফার গোডাউনে বিশ্বস্ততার সহিত সার পরিবহন করিয়া আসিতেছি। বিগত দীর্ঘ সরকার বিরোধী হরতাল সহ বিভিন্ন প্রতিকুল পরিবেশে জান ও মালের ঝুঁকি নিয়ে আমরা সার পরিবহন করেছি। আমরা অতি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিঃ এর ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) ও শাখা প্রধান এস আর এ সাইদ খান এর কারণে আমাদের শান্তিপূর্ণ সার পরিবহনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভাবে প্রতিবন্ধকতা ও হয়রানির স্বীকার হচ্ছি।
তিনি, উত্তরবঙ্গ বাফার গোডাউনে পরিবহন ঠিকাদারদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ নিয়ে বাহিরের গাড়িকে প্রাধান্য দিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছেন। ফলে আমাদের স্থানীয় গাড়ির পরিবহন ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।
তিনি, লোডিং ঠিকাদারের সাথে আতাত করে বাহিরের গাড়ি থেকে বিভিন্ন কৌশলে ৪০০-৫০০ টাকা চাঁদা আদায় করে আসছেন। এসব বিষয় সহ বিভিন্ন অনিয়ম এবং চাদাবাজির বিরুদ্ধে স্থানীয় মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে প্রায় সময় বাক বিতন্ডা হয় এবং অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন।
তিনি, আমাদেরকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ বলে হুমকি দেন যে, বিসিআইসির কেউ তার কিছু করতে পারবে না, তার খুটির জোর অনেক মজবুত এবং তিনি অনেক প্রভাবশালী উপর মহলে তার লোক আছে।
অভিযোগের পত্র পেয়ে সাইদ খানের সাথে এ বিষয়ে জানতে চেয়ে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায় নি।
তার সহকারী সাখাওয়াত হোসেন সাকু মুঠোফোনে জানান, আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না, বস জানেন। চাদা আদায়ের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন – এ ধরনের কোন সুযোগ নেই। এমনকি সাইদ খানের ব্যাপারেও তিনি কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান।
এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে উনার দুর্নীতির অভিযোগ পেয়েছি বলে অভিযোগ করেছি। আমরা উপজেলা প্রশাসন সহ সর্বত্র মহলে এ বিষয়ের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানাই।
জালালাবাদ /মামুন/৫৬৭৮