সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় শাহজালাল সারকারখানায় নব নির্মিত দৃষ্টি নন্দন মসজিদ শাহজালাল সারকারখানা মসজিদের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। শনিবার মাগরিবের নামাজ আদায়ের সময় মুসল্লিরা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। এতে শুরু হয় নির্মাণ কাজ নিয়ে তুমুল সমালোচনা। নির্মাণ কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার কে প্রাথমিকভাবে ত্রুটির কারণ হিসেবে বলছেন স্থানীয়রা।
গত মাসে অনানুষ্ঠানিকভাবে মসজিদটি উদ্ভোধন করে মুসল্লীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
মসজিদটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাব্বির এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান ছিল যার সত্বাধীকারী মোস্তাফিজুর রহমান কে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা যায়নি।
রবিবার সরজমিন মসজিদে গিয়ে দেখা যায় মসজিদের পিছনের অংশ আগে থেকেই ধাবিত ছিল৷ কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারনে কোন গার্ড ওয়াল ছাড়াই নির্মাণ করা হয় মসজিদটি। পরে যখন ধসে পড়ার আশংকা আসে তখন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টিন দিয়ে গার্ড ওয়াল নির্মাণ করার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি।
শেষ পর্যন্ত নির্মানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার কে প্রাথমিকভাবে দোষছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে আরও জানা যায়, মসজিদ নির্মাণের পূর্বে মাটি ভরাট করার পূর্বে যে গার্ড ওয়াল নির্মানের কথা ছিল তা নির্মাণ করা হয় নি।
অন্যদিকে দৃষ্টি নন্দন এ মসজিদ কখন কোন ভুমিকম্পে ধসে পড়ে সেই ভয়ে নামাজে যেতে ভয় পাচ্ছেন মুসল্লিরা।
এ প্রসঙ্গে জালালাবাদ ভিউ-কে স্থানীয় বাসিন্দা ও বাংলাদেশ এথলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সহকারী এটর্নি জেনারেল এডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু বলেন – আমি এখানের আলো বাতাসে বড় হয়েছি। যে বা যারা আল্লাহর ঘর নিয়ে দুর্নীতি করেছে আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানাই। পাশাপাশি সারকারখানা নির্মান থেকে শুরু করে যত অনিয়ম হয়েছে আমি তা দুদকের কাছে উপস্থাপন করব। আপনারা লক্ষ করুন পাশাপাশি ভবনগুলোতেও ফাটল দেখা দিয়েছে। প্রতিটি জায়গায় দুর্নীতির ছাপ রয়েছে।
গার্ড ওয়াল ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল মসজিদ সে কারণে ধসে পড়ার আশংকা করছেন স্থানীয়রা।
প্রসঙ্গত, মসজিদটি নির্মাণ কাজে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানা গেছে।
জালালাবাদ / ২য় খন্ড/ উজ্জ্বল /৩৬৮৯৯