সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ওসমানী নগরে এমপি মোকাব্বির খানের বিরুদ্ধে জুতা মিছিল সিলেট জেলা পরিষদের নির্বাচনে আলোচনায় ‘কয়েস’ গোলাপগঞ্জে সাংবাদিক পরিচয়ে এনামুল কবিরের অপকর্ম সিলেটে তালামীযের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত “২৪ বছরে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত” কুয়েত প্রবাসী ৩ সংবাদকর্মীদের একান্ত মতবিনিময় ফেঞ্চুগঞ্জে আল মাহাব্বাহ হাফিজিয়া মাদরাসা ও মসজিদ উদ্বোধন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ট্রাক-পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের মেম্বার প্রার্থী জনি আলোচনায় গোলাপগগঞ্জে সাংবাদিক রাসেলের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি: থানায় জিডি রাজনগরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন দারুল কিরাত কার্ডিফ জালালিয়া মসজিদ শাখার পুরুষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান নাবিন রাজার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুলিশের কাছে আবেদন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলামের উদ্যোগে চা শ্রমিকদের অর্থ বিতরণ এসএমপি কমিশনারের সাথে সিলেট বিভাগীয় রিপোর্টার্স ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

ফেঞ্চুগঞ্জে বন্যায় খামারির প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি, দিশেহারা খামারি ফখরুল!

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২
  • ১৬৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ফরিদপুর গ্রামে ২০১৮ সালে স্থানীয় বাসিন্দা ফখরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে উৎসাহিত হয়ে প্রথমে দেশী ও বিদেশী জাতের ৫২ টি গাভী ক্রয় করেন। পরবর্তীতে আরও ২৫ বিদেশি জাতীয় গরু প্রায় ৬৪ লক্ষ টাকা দিয়ে ক্রয় করেন৷ যা এবারের ঈদের সময় বিক্রি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ১২ টি বন্যার পানির কারণে খাদ্য সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। বর্তমানে খামারে অসুস্থ অবস্থায় ১০ টি গরু আক্রান্ত রয়েছে। পাশাপাশি ফখরুল ইসলাম তার বাড়ির পাশে একটি মাছের খামারে ৪৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু বন্যার পানিতে ইতমধ্যে খামার এবং মাছের প্রকল্প বিলীন হয়ে গেছে।

আনিশা এন্ড আয়ান ডেইরি ফার্মের উদ্যোক্তা ফখরুল ইসলাম জানান, আমি বন্যার পানির কারণে বর্তমানে পূর্বে দৈনিক ২২-২৫ হাজার টাকার দুধ বিক্রি করতে পারতাম। বর্তমানে আমার খামারে গো- খাদ্যের অভাব থাকায় দুধ সংগ্রহ করা একধরনের সম্ভব হচ্ছেনা। তিনি আরও জানান, আমি এ পর্যন্ত যে সকল ব্যংক থেকে লোন সংগ্রহ করেছিলাম তা দিতে হিমশিম খাচ্ছি।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জামিল আহমেদ জানান, এ পর্যন্ত আমাদের এ বিষয়ে কোন বরাদ্দ আসেনি, যদি বরাদ্দ আসে তবে আমরা গো- খাদ্য দেওয়ার চেষ্টা করব।

খামারে এ পর্যন্ত ১২ জন ব্যক্তি কর্মসংস্থানে রয়েছেন। কিন্তু তাদের বেতন দিতেও বিপাকে রয়েছেন খামারি ফখরুল ইসলাম।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd.com