বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, হলিয়ারপাড়া ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
তার পিএইচডি ডিগ্রির থিসিসের শিরোনাম ছিলো –
‘সিলেট জেলায় আরবি ও ইসলামি শিক্ষা সম্প্রসারণে প্রখ্যাত উলামা- ই কেরামের অবদান (১৯০০-২০০৮)’উল্লেখ্য মঈনুল ইসলাম পারভেজ বাংলাদেশে আরবি শিক্ষার প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন। তিনি তার দীর্ঘ জীবনে আরবি শিক্ষার মূল স্থম্ব হিসেবে উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা ফুলতলী র. এর দারুল কিরাত মাজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের মাধ্যমে ঘরে ঘরে আরবি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্ব রাখেন। মঈনুল ইসলাম পারভেজ বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বহাল রয়েছেন। তার এই অর্জনে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তার ছাত্র সহ অন্যান্যরা।
সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে তিনি নিয়মিত অংশ নেন এবং পাশাপাশি তিনি জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠে আরবি শিক্ষার প্রসারে বিভিন্ন লেখনী তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে তার লেখা অনেক গ্রন্থও রয়েছে।
উল্লেখ্য মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম পারভেজ
পিতা মোহাম্মদ দ্বীনুল ইসলাম(বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজ সেবক)
মাতা হেনা ইসলাম
গ্রাম হবিবপুর (শ্রীবৎসপুর)
জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ
দাখিল ১৯৯০সাল প্রথম বিভাগ, হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদরাসা
আলিম ১৯৯২ প্রথম বিভাগ, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা
বিএ(অনার্স) ১৯৯৫ প্রথম শ্রেনী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া
মাষ্টার্স ১৯৯৬সাল প্রথম শ্রেনী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
এমফিল ডিগ্রি ২০১২সাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
থিসিস শিরোনাম “আল্লামা আব্দুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলী (রহ.)ঃজীবন ও কর্ম
পিএইচডি থিসিস শিরোনাম ” সিলেট জেলায় আরবী ও ইসলামী শিক্ষা সম্প্রসারণে প্রখ্যাত উলামা-ই কেরামের অবদান(১৯০০-২০০৮) “
এমফিল ও পিএইচডি উভয়টির সুপারভাইজার অধ্যাপক ড. মো: রইছ উদদীন
আট ভাই বোনের মধ্যে ৭ম
প্রকাশিত গ্রন্থঃ ১/মহাগ্রন্থ আল কুরআনের শ্রেষ্ঠত্ব,২ /আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের পরিচয় ৩/ সিয়ামে রামাদান ও আমাদের করণীয় ৪/ইসলামের ঐতিহাসিক যুদ্ধ রাসূল(সা.)এর মু’জিযা৫/ইসলামে শিশুর মৌলিক অধিকার অপ্রকাশিত গ্রন্থ ১/নারীর অধিকার ইসলামি প্রক্ষিত ২/ ছোটদের জ্ঞান অন্বেষনে অনীহা ওপ্রতিকার ৩/ সূরা ফাতিহার মাহাত্ম ও তাৎপর্য
অধ্যক্ষ,হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা, জগন্নাথপুর
একবার জেলা ও একবার বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন।