সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ওসমানী নগরে এমপি মোকাব্বির খানের বিরুদ্ধে জুতা মিছিল সিলেট জেলা পরিষদের নির্বাচনে আলোচনায় ‘কয়েস’ গোলাপগঞ্জে সাংবাদিক পরিচয়ে এনামুল কবিরের অপকর্ম সিলেটে তালামীযের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত “২৪ বছরে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত” কুয়েত প্রবাসী ৩ সংবাদকর্মীদের একান্ত মতবিনিময় ফেঞ্চুগঞ্জে আল মাহাব্বাহ হাফিজিয়া মাদরাসা ও মসজিদ উদ্বোধন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ট্রাক-পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের মেম্বার প্রার্থী জনি আলোচনায় গোলাপগগঞ্জে সাংবাদিক রাসেলের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি: থানায় জিডি রাজনগরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন দারুল কিরাত কার্ডিফ জালালিয়া মসজিদ শাখার পুরুষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান নাবিন রাজার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুলিশের কাছে আবেদন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলামের উদ্যোগে চা শ্রমিকদের অর্থ বিতরণ এসএমপি কমিশনারের সাথে সিলেট বিভাগীয় রিপোর্টার্স ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

পাঁচ মন্ত্রীর এলাকা সিলেটজুড়ে আইসিইউ’র জন্য হাহাকার!

মুক্তমন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ৬৭৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পাঁচ মন্ত্রীর এলাকা
সিলেটজুড়ে আইসিইউ’র
জন্য
হাহাকার!

আবদুল কাদের তাপাদার

ফজর নামাজ পড়ে ফোনের সুইচঅফ করে ঘুমিয়ে পড়েছি। ১০ টার দিকে ফোন খুলতেই অনেকটা কল।ছাতকের সিনিয়র সাংবাদিক, দৈনিক জালালাবাদের এক
সময়কার জাঁদরেল রিপোর্টার,বর্তমানে
দৈনিক সমকাল এর ছাতক প্রতিনিধি শাহ আখতারুজ্জামান তার মাকে নিয়ে বড় বিপদে আছেন। শ্বাসকষ্ট, করোনার উপসর্গ নিয়ে সিলেটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কোথাও
আইসিইউ বেড খালি নেই।
তিনি ইতোমধ্যে সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু ভাইয়ের সাথে আলাপ করেছেন সহযোগিতা চেয়েছেন।তার মায়ের জন্য আইসিইউ খুব দরকার।
সিলেটের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোনো আইসিইউ বেড খালি নেই! অবশেষে
তার মাকে নিয়ে শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।করোনার বিশেষায়িত এই হাসপাতালেও আইসিইউ বেড খালি নেই।
তিনি কিংকর্তব্যবিমুড়! কী করবেন?

আমি দুই জায়গায়ই বড় কর্তাদের ফোন দিলাম। কারো কিছু করবার নেই!
দুজন বড় কর্মকর্তাই দু:খ প্রকাশ করলেন।
আমি শেষমেষ আমাদের সিনিয়র বন্ধু সাংবাদিক আবু তালেব মুরাদ ভাইকে ফোন দিলাম। উদ্দেশ্য হাসপাতালে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যদি কিছু করতে
পারেন।
সারাদিনের আমাদের কোনো চেষ্টাই সফল হলো না।
এখন রাত ১২ টায় জানলাম,শামসুদ্দিন হাসপাতালে দুটো আইসিইউ খালি হবে। কিন্তু এগুলো আগে থেকেই বুকিং। একজন দেশমাতৃকার মুক্তিযোদ্ধার জন্য, আরেকটি আরেকজনের জন্য, যার জন্য সিলেটের মেয়র সাহেব নাকি সুপারিশ করেছেন।
কান্নাজড়িত কন্ঠে সাংবাদিক আখতারুজ্জামান জানালেন, দেখেন ভাই
কিছু করা যায় কী না?
মাকে নিয়ে একজন সিনিয়র সাংবাদিক
ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু তার জন্য কেউ কিছু
করতে পারছেন না।
এই বেদনা কতোটা ভয়ানক, কতোটা নিষ্ঠুর আর মর্মান্তিক!

এই সেদিনও

পাঁচ মন্ত্রীর এলাকা
সিলেটজুড়ে আইসিইউ’র
জন্য
হাহাকার!

———————————-
আবদুল কাদের তাপাদার
————————————-
ফজর নামাজ পড়ে ফোনের সুইচঅফ করে ঘুমিয়ে পড়েছি। ১০ টার দিকে ফোন খুলতেই অনেকটা কল।ছাতকের সিনিয়র সাংবাদিক, দৈনিক জালালাবাদের এক
সময়কার জাঁদরেল রিপোর্টার,বর্তমানে
দৈনিক সমকাল এর ছাতক প্রতিনিধি শাহ আখতারুজ্জামান তার মাকে নিয়ে বড় বিপদে আছেন। শ্বাসকষ্ট, করোনার উপসর্গ নিয়ে সিলেটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কোথাও
আইসিইউ বেড খালি নেই।
তিনি ইতোমধ্যে সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু ভাইয়ের সাথে আলাপ করেছেন সহযোগিতা চেয়েছেন।তার মায়ের জন্য আইসিইউ খুব দরকার।
সিলেটের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোনো আইসিইউ বেড খালি নেই! অবশেষে
তার মাকে নিয়ে শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।করোনার বিশেষায়িত এই হাসপাতালেও আইসিইউ বেড খালি নেই।
তিনি কিংকর্তব্যবিমুড়! কী করবেন?

আমি দুই জায়গায়ই বড় কর্তাদের ফোন দিলাম। কারো কিছু করবার নেই!
দুজন বড় কর্মকর্তাই দু:খ প্রকাশ করলেন।
আমি শেষমেষ আমাদের সিনিয়র বন্ধু সাংবাদিক আবু তালেব মুরাদ ভাইকে ফোন দিলাম। উদ্দেশ্য হাসপাতালে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যদি কিছু করতে
পারেন।
সারাদিনের আমাদের কোনো চেষ্টাই সফল হলো না।
এখন রাত ১২ টায় জানলাম,শামসুদ্দিন হাসপাতালে দুটো আইসিইউ খালি হবে। কিন্তু এগুলো আগে থেকেই বুকিং। একজন দেশমাতৃকার মুক্তিযোদ্ধার জন্য, আরেকটি আরেকজনের জন্য, যার জন্য সিলেটের মেয়র সাহেব নাকি সুপারিশ করেছেন।
কান্নাজড়িত কন্ঠে সাংবাদিক আখতারুজ্জামান জানালেন, দেখেন ভাই
কিছু করা যায় কী না?
মাকে নিয়ে একজন সিনিয়র সাংবাদিক
ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু তার জন্য কেউ কিছু
করতে পারছেন না।
এই বেদনা কতোটা ভয়ানক, কতোটা নিষ্ঠুর আর মর্মান্তিক!

এই সেদিনও
সংসদে দাঁড়িয়ে আমাদের সরকার প্রধান, স্বাস্থ্য মন্ত্রীসহ সবাই বিশাল বাজেট নিয়ে
আত্মতুষ্টির ঢেকুর তোলেছেন।
স্বাস্থ্যখাতে হাজার হাজার কোটি টাকার
উন্নয়নের কথা বুক ফুলিয়ে বলেন তারা।
অথচ সিলেটের মতো একটা বিভাগীয় শহরে এখন আইসিইউর জন্য রীতিমতো হাহাকার চলছে। তাহলে কোথায় উন্নতি।

আমরা করোনার শুরু থেকেই সিলেটের ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে লিখছি।

সিলেটের চার চারজন পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন।মন্ত্রীর মর্যাদায় একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টাও রয়েছেন। যিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের মানুষ।আমরা তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। পরিস্থিতির
ভয়াবহতার কথা জানান দিয়েছি বার বার।

সিলেটেই করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে প্রথম চিকিৎসক ডা: মঈন উদ্দিন মর্মান্তিকভাবে
মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন।তার জন্য এই রাস্ট্র, এই দেশ, এক হালি পূর্ণ মন্ত্রীর সিলেটের মানুষ জরুরিভিত্তিতে একটা
এয়ার এম্বুলেন্স ব্যবস্হা করতে পারিনি।
সড়ক পথের দীর্ঘ ক্লান্তি তার মৃত্যুর কাল হয়েছিল কী না সেটা ইতিহাস একদিন বিচার করবে হয়তোবা।
এরপর একে একে করোনা আক্রান্ত হয়ে
মারা গেলেন সিলেটের জনপ্রিয় রাজনীতিক ও সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, মৌলভীবাজারের জনদরদী রাজনৈতিক নেতা ও সেখানকার
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক এমপি আজিজুর রহমান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, জনদরদী রাজনীতিক এম,এ হক।মারা গেছেন
সিনিয়র সাংবাদিক আজিজ আহমেদ সেলিম । সর্বশেষ মারা গেলেন সিলেটের অবিসংবাদিত রাজনৈতিক নেতা সিলেট -৩ আসনের এমপি মাহমুদুস সামাদ চৌধুরী।

এমন পরিস্থিতিতেও আমাদের বড় বড়
“ভাগ্য নির্মাতারা” দৃশ্যমান বিশেষ কোনো
উদ্যোগ নেননি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে
অভূতপূর্ব ভূমিকা পালনকারী,দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদের ভিত রচনাকারী
সিলেটের মানুষের জন্য। সাধারণভাবে যা হওয়ার তা তো হয়েছেই।

সিলেটের মানুষ কিন্তু এখনো আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনানায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম,এ জি ওসমানী, স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, এম সাইফুর রহমান,
আবদুস সামাদ আজাদের কথা গর্ব করে
স্মরণ করে।

আজও সিলেটবাসী আমাদের গর্বিত পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড: আবুল কালাম আবদুল মোমেন,
পরিকল্পনা মন্ত্রী আবদুল মান্নান, প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উপদেষ্টা
ড: তওফিক ই ইলাহী চৌধুরী বীরবিক্রমের
নাম গর্ব ভরে উচ্চারণ করতে চায়।
সিলেটের আপামর মানুষ এখন তাদের দিকে চেয়ে আছে।

সিলেট বিভাগের কোটি মানুষের জন্য সরকারিভাবে রয়েছে মাত্র ২৯ আইসিইউ বেড। যার ১৬টি সিলেটের ডা. শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে আর সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ আছে আরো ৮টি। মৌলভীবাজারে রয়েছে মাত্র ৫ আইসিইউ শয্যা। কিন্তু মৌলভীবাজারের এ শয্যাগুলোতে এখনো কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা নেই।
অপরদিকে হাওরবেষ্টিত সুনামগঞ্জ আর ভারতের সীমান্তঘেঁষা হবিগঞ্জে নেই কোনো আইসিইউ শয্যা। এমন অবস্থায় সিলেটজুড়ে আইসিইউর জন্য চলছে হাহাকার।

সংসদে দাঁড়িয়ে আমাদের সরকার প্রধান, স্বাস্থ্য মন্ত্রীসহ সবাই বিশাল বাজেট নিয়ে
আত্মতুষ্টির ঢেকুর তোলেছেন।
স্বাস্থ্যখাতে হাজার হাজার কোটি টাকার
উন্নয়নের কথা বুক ফুলিয়ে বলেন তারা।
অথচ সিলেটের মতো একটা বিভাগীয় শহরে এখন আইসিইউর জন্য রীতিমতো হাহাকার চলছে। তাহলে কোথায় উন্নতি।

আমরা করোনার শুরু থেকেই সিলেটের ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে লিখছি।

সিলেটের চার চারজন পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন।মন্ত্রীর মর্যাদায় একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টাও রয়েছেন। যিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের মানুষ।আমরা তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। পরিস্থিতির
ভয়াবহতার কথা জানান দিয়েছি বার বার।

সিলেটেই করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে প্রথম চিকিৎসক ডা: মঈন উদ্দিন মর্মান্তিকভাবে
মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন।তার জন্য এই রাস্ট্র, এই দেশ, এক হালি পূর্ণ মন্ত্রীর সিলেটের মানুষ জরুরিভিত্তিতে একটা
এয়ার এম্বুলেন্স ব্যবস্হা করতে পারিনি।
সড়ক পথের দীর্ঘ ক্লান্তি তার মৃত্যুর কাল হয়েছিল কী না সেটা ইতিহাস একদিন বিচার করবে হয়তোবা।
এরপর একে একে করোনা আক্রান্ত হয়ে
মারা গেলেন সিলেটের জনপ্রিয় রাজনীতিক ও সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, মৌলভীবাজারের জনদরদী রাজনৈতিক নেতা ও সেখানকার
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক এমপি আজিজুর রহমান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, জনদরদী রাজনীতিক এম,এ হক।মারা গেছেন
সিনিয়র সাংবাদিক আজিজ আহমেদ সেলিম । সর্বশেষ মারা গেলেন সিলেটের অবিসংবাদিত রাজনৈতিক নেতা সিলেট -৩ আসনের এমপি মাহমুদুস সামাদ চৌধুরী।

এমন পরিস্থিতিতেও আমাদের বড় বড়
“ভাগ্য নির্মাতারা” দৃশ্যমান বিশেষ কোনো
উদ্যোগ নেননি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে
অভূতপূর্ব ভূমিকা পালনকারী,দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদের ভিত রচনাকারী
সিলেটের মানুষের জন্য। সাধারণভাবে যা হওয়ার তা তো হয়েছেই।

সিলেটের মানুষ কিন্তু এখনো আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনানায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম,এ জি ওসমানী, স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, এম সাইফুর রহমান,
আবদুস সামাদ আজাদের কথা গর্ব করে
স্মরণ করে।

আজও সিলেটবাসী আমাদের গর্বিত পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড: আবুল কালাম আবদুল মোমেন,
পরিকল্পনা মন্ত্রী আবদুল মান্নান, প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উপদেষ্টা
ড: তওফিক ই ইলাহী চৌধুরী বীরবিক্রমের
নাম গর্ব ভরে উচ্চারণ করতে চায়।
সিলেটের আপামর মানুষ এখন তাদের দিকে চেয়ে আছে।

সিলেট বিভাগের কোটি মানুষের জন্য সরকারিভাবে রয়েছে মাত্র ২৯ আইসিইউ বেড। যার ১৬টি সিলেটের ডা. শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে আর সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ আছে আরো ৮টি। মৌলভীবাজারে রয়েছে মাত্র ৫ আইসিইউ শয্যা। কিন্তু মৌলভীবাজারের এ শয্যাগুলোতে এখনো কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা নেই।
অপরদিকে হাওরবেষ্টিত সুনামগঞ্জ আর ভারতের সীমান্তঘেঁষা হবিগঞ্জে নেই কোনো আইসিইউ শয্যা। এমন অবস্থায় সিলেটজুড়ে আইসিইউর জন্য চলছে হাহাকার।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd.com