নবীগঞ্জ উপজেলার দিঘলবাক ইউনিয়নের বোয়ালজুর গ্রামে নিজস্ব রাস্তা সংস্করণ করার সময় দূর্বিত্তদের হামলায় ৫জন আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার ২১ডিসেম্বর সকাল ৮টার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ২০ডিসেম্বর বোয়ালজুর গ্রামের মোঃ আব্দুর রউফ সাহেবের বাড়ির পাশে তাদের ব্যক্তিগত রাস্তা মেরামত করার জন্য রাস্তার পাশে মাঠি আটকিয়ে রাখার জন্য কলুম গাছ দিয়ে বেস্টুন তৈরি করেন। দূর্বিত্তরা রাস্তায় মেরামত না করার জন্য বাধা প্রদান করে। তখন গ্রামের মুরুব্বীরা মিলে বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য লেবু মিয়ার কাছে গেলে তিনি জানান এই রাস্তা মেরামত করা যাবে না। রাস্তার পাশে দেওয়া বেস্টুন উঠিয়ে নিতে তাদের বলেন। পরবর্তীতে আবার সালিশ বিচারক হাজ্বী এলাইচ মিয়া তাদের কাছে গেলে সালিশ মেনে নেয়। কিন্তু বিচারের দিন ২১ডিসেম্বর সকাল ৮ ঘটিকার সময় দেশীয় অস্ত্র দা,শিকল,রামদা,দিয়ে আক্রমণ করার জন্য তারা ঘটনাস্থলে আসে এবং এ সময় ফজলু মিয়াকে রাস্তায় পেয়ে লেবু মিয়া গংরা ফজলু মিয়া,আব্দুস সামাদ,রেজাউল,আজাদ,সাইকুল মিয়াকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এ সময় গুরুতর আহত ব্যক্তি ফজলু মিয়ার চিৎকার শুনে ফজলু মিয়ার ভাই এগিয়ে আসলে তাকেও লেবু মিয়া,লেবু মিয়ার ছেলে ইতালি প্রবাসী রাসেল,মাসুম,শামীম মিয়া সবাই মিলে হামলা করে। পরবর্তীতে আহত ফজলু মিয়ার লোকজন আসলে দূর্বিত্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আহত ফজলু মিয়ার ভাতিজা মামুনকে ফোন দিলে সে জানায় সে লেখা পড়ার জন্য অনেক দিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করছে। আহত ফজলু মিয়ার ভাতিজা তাজুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে জানায় ঘটনার সময় সে আউশকান্দি বাসায় ছিল। মারামারির খবর শুনে সে দ্রুত গাড়ি নিয়ে বাড়িতে যায় গিয়ে দ্রুত আহত ব্যাক্তিদের চিকিৎসার জন্য নবীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ওসমানী হাসপাতালে নেওয়ার জন্য রেফার করে এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। তাজুল জানান, সালিশ অমান্য করে আমাদের উপর অমানবিক নির্যাতনের বিচার পক্রিয়াধীন রয়েছে। আহত ফজলু মিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো আশংকাজনক। তিনি সুস্থ হয়ে বাড়িতে আসার পর গ্রামের মুরব্বিদের সালিশ মাধ্যমে বিচার হবে। এতে সঠিক বিচার না পেলে আমরা আইনের আশ্রয় নেবো।
এ সময় লেবু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
বিষয়ের সত্যতা জানার জন্য সালিশ বিচারক হাজ্বী এলাইচ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমরা বিচারের আওতায় এনেছিলাম। কিন্তু বিচারের দিন সকালে যে ন্যাকারজনক ঘটনা ঘটেছে সেটা আমরা আশা করিনি।