মহানবি হযরত মোহাম্মদ(সা.)এর প্রতি নূপুর শর্মার কটূক্তির প্রতিবাদে ছাতকের ছৈলা আফজলাবাদ ইউপি ৪ নম্বার ওয়ার্ডে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সর্বদলীয় লোকের সমাবেশ হয়। এ সময় ৪ নম্বার ওয়ার্ড সভাপতি হাবিবুর রহমান মুস্তফা প্রধানমন্ত্রীকে ভারত যেতে বলেন।মস্তফার যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তার কিছু অংশ হুবহু তুলে ধরা হলো।
“নূপুর শর্মা কটূক্তি করি যে খতা(কথা) আমাদের নবিরে আমরা মুসলমান হিসাবে বরদাশ করার নায়।আমরা হাঁসি(ফাঁসি)চাই। এর বাদে এবং আমাদের যে নেত্রী বেগম হাসিনা বেগমরে আমি অনুরোধ করি জানাইতে চাইরাম ও খতা ঐ ৫০টা দেশে নিন্দা জানাইছে। তুমি হাসিনা কি আমরার দেশের মানুষের দরকার নায়নি? যদি দরকার মনে করইন আপনে নিন্দা অতি তাড়াতাড়ি জানাওকা(জানান),যদি জানাইন না আপনে ভারতে চলে যান,নূপুর শর্মাদের লগে আপনে বইরানীত্তা(বান্ধীত্তা) করো,আমরার(কুন্তা) যায়-আসে না,ই ব্যাপারে আমার নেত্রীর দরকার নাই।
এ ব্যপারে ছৈলা আফজলাবাদ ইউপি সভাপতির গোলাম মস্তফার রনির ফেসবুক স্ট্যাটাস তুলে ধরা হলো।
আমরা মুসলমান,
নবী প্রেম সবার মাঝে আছে।
মহানবী হযরত মোহাম্মদ সাঃ এর উম্মত আমরা।মহনবীকে নিয়ে যে বা যারা কুটুক্তি মন্তব্য করবে তা বরদাস্ত করা হবেনা, তার বিরুদ্ধে সাথে সাথেই এ্যাকশন হবে এবং তিব্র প্রতিবাদ হবে।যদি সরাসরি প্রতিবাদ করতে না পারি,মন থেকে ঘৃণা করি,প্রতিবাদ করি।বাংলাদেশে একটা সমস্যা সব বিষয়কে রাজনীতিক ভাবে নিয়ে একদল আওয়ামীলীগ দলকে ধর্ম বিদ্বেষী মনে করে যা মোটেও কোন গ্রহণ যোগ্যতা নেই। আওয়ামীলীগ সমর্থন করে যারা তারাও মুসলাম+বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী রয়েছে। এই ১৫ বছরে যারা অন্য দল থেকে আমদানি হয়েছে তাদের অন্তরে তাদের দলের জয়গান হবেই এটা স্বাভাবিক।তবে দলের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করতেছে দলের বড় আওয়ামীলীগার যারা নিজের মানুষ খোঁজতে গিয়ে জামাত-বি এন পি মানুষকে দলে এনে বিভিন্ন ওয়ার্ড/ইউপি পর্যায়ে দিতেছে।ছৈলা আফজলাবাদ ইউ/পি লজ্জাজনক এবং কলংকিত ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কমিটি।যাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে সে নিজেই ভাল করে দলের নাম/সভানেত্রীর নাম বলতে পারেনা বুঝে না বুঝে মন্তব্য করতেছে নেত্রীকে নিয়ে।এমন অভিভাবক আওয়ামীলীগ আমরা চাইনা যারা দলকে কলুষিত করছে।ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে উপজেলার শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতে এবং উনার নিজের লোক দেখে দেখে কমিটি দিয়েছেন।যারা উনার কমান্ড বুঝে না বুঝে জ্বি জনাব বলতে পারবে তাদের তে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি জামাত থেকে আমদানিকৃত প্রডাক্ট।তাছাড়া ইউ/পি কমিটিতে জাতীয় পার্টি/বিএনপি থেকে আগতদের কমিটিতে জায়গা হয়েছে অথচ যারা তৃণমূল আওয়ামীলীগ তাদের জায়গা হয়নি।এই বদনাম কি উপজেলার শীর্ষ নেতা নিবেন?আমি অত্র ইউ/পির একজন বাসিন্দা ও আওয়ামীলীগ সমর্থিত হিসাবে এসব মেনে নিতে পারিনা।
দলকে মুক্ত করুন,নিজের মানুষ বাড়ানোর জন্য দলে হাইব্রিড-আগাছা এনে ঢুকিয়ে দলকে দূষিত করবেন না।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু!