সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ওসমানী নগরে এমপি মোকাব্বির খানের বিরুদ্ধে জুতা মিছিল সিলেট জেলা পরিষদের নির্বাচনে আলোচনায় ‘কয়েস’ গোলাপগঞ্জে সাংবাদিক পরিচয়ে এনামুল কবিরের অপকর্ম সিলেটে তালামীযের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত “২৪ বছরে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত” কুয়েত প্রবাসী ৩ সংবাদকর্মীদের একান্ত মতবিনিময় ফেঞ্চুগঞ্জে আল মাহাব্বাহ হাফিজিয়া মাদরাসা ও মসজিদ উদ্বোধন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ট্রাক-পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের মেম্বার প্রার্থী জনি আলোচনায় গোলাপগগঞ্জে সাংবাদিক রাসেলের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি: থানায় জিডি রাজনগরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন দারুল কিরাত কার্ডিফ জালালিয়া মসজিদ শাখার পুরুষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান নাবিন রাজার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুলিশের কাছে আবেদন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলামের উদ্যোগে চা শ্রমিকদের অর্থ বিতরণ এসএমপি কমিশনারের সাথে সিলেট বিভাগীয় রিপোর্টার্স ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

এক ঘন্টার লোডশেডিং ৬ ঘন্টা, উৎপাদনে ঘাটতি কেন? জ্বালানি তেলের উপর প্রভাব পড়ছে কেমন?

মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েল
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০২২
  • ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সরকার নির্ধারিত লোডশেডিং এর তালিকা এলাকাভিত্তিক প্রণয়ন করা হয়েছে। কিন্তু সরকারের স্বাক্ষরিত এই পদক্ষেপ কে বুড়ি আঙুল দেখিয়ে উৎপাদনের ঘাটতির অজুহাতে দুই ঘন্টার বিপরীতে লোডশেডিং হচ্ছে ৬/৭ ঘন্টা। কোন কোন এলাকা যেমন ভাটি অঞ্চলের তথ্যমতে ১০-১১ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এ নিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বলানী মন্ত্রনালয়ে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোন সংযোগ পাওয়া যায়নি। বর্তমানে দেশের সিংহভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে দেশের ভিতরেই। যা দিয়ে গত জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটানো সম্ভব ছিল। কিন্তু বন্যার কারনে কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

বারবার প্রশ্ন আসছে লোডশেডিং এর প্রদান কারণ বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং উৎপাদনে ঘাটতি। মূলকথা কোন গ্রিডেই বিদ্যুৎ ধরে রাখা যায় না। কিন্তু সরকার বলছে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে। কিভাবে তবে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। যদি উৎপাদন না হয়। এ বিষয়ে প্রতিবেদন লেখার পূর্বে দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্ন করলে তার ফলাফল হিসেবে এসেছে উৎপাদন ও গ্রীডে বিপনন প্রসঙ্গে। কিন্তু দেশের এত বিদ্যুৎ আসলে কোথায় যাচ্ছে। প্রশ্নের উত্তর নেই কোন কতৃপক্ষের কাছে।

অন্যদিকে বিদ্যুতের এই ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারণে প্রশ্ন উঠেছে সরকারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে। অথচ সরকার একনেকের মাধ্যমে অনেক প্রকল্প নিয়মিত বরাদ্দ করছে। এ নিয়ে জনমনে সংশয় রয়েছে শিশুদের পড়ালেখা এবং মানুষের নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়ে। এক গবেষণার ফলাফল বলছে অতি শীগ্রই বাংলাদেশের তেলের সংকট দেখা দিবে। সাথে ডিজেল এবং অন্যান্য ইঞ্জিন চালিত ব্যবহার হওয়া তেল দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ দেশের সবগুলো বড় প্রতিষ্ঠান এখন জেনারেটর এবং আইপিএসের উপর নির্ভরশীল। এতে করে আগের তুলনায় তেল লাগামহীনভাবে ব্যবহার হচ্ছে। আর এর ফলে বিদ্যুতের পাশাপাশি তেল সংকটের সম্ভাবনা রয়েছে।

নিয়মিত তেলের দাম বাড়ছে। কারণ ক্রেতা বেশি। অন্যদিকে বিদ্যুতের এমন দুরবস্থা অচিরে সমাধান না হলে বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী আগামী দুই মাসের দেশে তেল ও বিদ্যুতের সংকট সৃষ্টি হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd.com